নন্দীগ্রামের পর ভবানিপুর নিয়ে যথেষ্ট সাবধান মমতা

0
207

 

লড়াই ২৪ ডেস্ক: ভবানিপুর প্রেস্টিজ ফাইট। নন্দীগ্রাম হারের পর যথেষ্ট শিক্ষা পেয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই কারণে এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চান না তিনি। সেই কারণে দলের বাকি কর্মীদেরও এই ব্যাপারে সচেতন করে দেন তিনি। এদিন চেতলার কর্মীসভায় নেতা-কর্মীদের পেপ-টক দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বার্তা দিলেন, “দিদি জিতবে বলে বসে থাকবেন না। তাহলে আরও গভীর ষড়যন্ত্র হবে।” নন্দীগ্রামে হাড্ডাহাড্ডি লরাইয়ের পরও হেরে গিয়ে তিনি যে শিক্ষা পেয়েছেন, এটা তারই ইঙ্গিত।

নন্দীগ্রামে তিনি ষড়যন্ত্ররে শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “প্রতিটা বুথ অফিসার, আইসি, ডিএমকেও বদলি করা হয়েছে। ছাপ্পা করা হয়েছে, ভোট করতে দেওয়া হয়নি।” তাই জন্য এবার সাবধানী তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর নির্দেশ, “প্রতিটা বাড়ি বাড়ি যেতে হবে। প্রত্যেক দরজায়  যেতে হবে। কমিশনের বিধিনিষেধ মেনে কাজ করতে হবে।”

এদিনের বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মালা রায়, মদন মিত্রের মতো শীর্ষ নেতাদের ওয়ার্ড ধরে ধরে দায়িত্ব দিয়েছেন নেত্রী। তাঁর তৎপরতা থেকে স্পষ্ট, আত্মবিশ্বাসের কোনও জায়গা নেই। তিনি এদিন নেতা-কর্মীদের বলেছেন, “২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরপরই পুরভোট হবে। সব ভোটেই আমাদের জিততে হবে।”

Read more……………Corona Case Update: দৈনিক সংক্রমণে বৃদ্ধি ১৪%, ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা

এদিন ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ্য করে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কেও আশ্বস্ত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “আমি ভাবলাম শোভনদা এত পুরনো ছেলে। চিরকাল শোভনদা এই এলাকায় থাকে। তাই ভেবেছিলাম শোভনদা এবার নিজের এলাকায় লড়ুক। তাছাড়া দেবার (দেবাশিস কুমার) প্রতি আমার একটা কমিটমেন্ট ছিল। ওকে বলেছিলাম সুব্রতাদা লোকসভায় বাঁকুড়া থেকে জিতলে তোকে বালিগঞ্জে দাঁড়াতে হবে। তাই আমি শোভনদার সিটটা দেবাকে দিয়েছি। শোভনদাকে ভবানীপুর। আর নিজে ষড়যন্ত্রের বলি হয়েছি। মনে রাখবেন আমি সবাইকে নিয়েই চলি। এটা আমাদের পরিবার।”

এদিন তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যেও বলেন, “ওরা অনেক মিছিল করবে, সভা করবে। মন খারাপ করবেন না, মাথা গরম করবেন না। এই লড়াই আমাদের জিততে হবে।” অর্থাৎ কর্মীদের সম্পূর্ণ রূপে সংযত থাকার বার্তা দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম হারের পর কোনো মতেই ভবানিপুর হারালে চলবে না তাঁর।

Advertisement
শেয়ার করে ভারতীয় হওয়ার গর্ব করুন

আপনার মতামত জানান