WhatsApp Channel Join Now
Telegram Channel Join Now
Instagram Channel Follow Now

লড়াই ২৪ ডেস্ক: পুরসভার অনুমতি ছাড়াই দিব্যি চালানো হচ্ছিল এই ভ্যাকসিন ক্যাম্প। বেআইনিভাবে চলছিল এই টিকাকরণ। কসবা পুলিশের জালে ভুয়ো IAS অফিসার। রীতিমতো অস্বস্তিতে কলকাতা পুরসভা। এদিকে অই ভুয়ো ক্যাম্প থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছেন অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তীও।

আরও পড়ুন…৮২ দিনে সক্রিয় রোগীর হার নিম্নগামী

কসবা পুলিশ সুত্রে খবর, বেআইনিভাবে চলছিল ভ্যাকসিন ক্যাম্পটি। কলকাতা পুরসভার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে চলছিল এই বেআইনি শিবির। মঙ্গলবার পুলিশ ওই শিবির থেকে গ্রেফতার করে দেবাঞ্জন দেব নামে এক ব্যাক্তিকে। তিনি নিজেকে একজন IAS অফিসার বলে দাবি করছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় জাল পরিচয়পত্র ও ভারত সরকারের লোগো দেওয়া একটি গাড়ি। দেবাঞ্জন দেব কসবা থানায় নিজেকে IAS পরিচয় দিয়ে ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে ওই শিবির চালায়। তার পরিচয়পত্রে ছিল পুরসভার কমিশনার বিনোদ কুমারের সই। শুধু তাই নয়, দেবাঞ্জনও নিজেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার বলে পরিচয় দেয়।

এই ভুয়ো ভ্যাকসিন ক্যাম্পের বিষয়ে মিমি চক্রবর্তী জানান, “আমায় বলা হয়েছিল, জয়েন্ট কমিশনার অফ কলকাতা কর্পোরেশনের উদ্যোগে একটা ভ্যাকসিনেশন ড্রাইভের আয়োজন করা হয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের কিছু মানুষ, রূপান্তরকামী, বিশেষভাবে সক্ষম কিছু মানুষ ও দুঃস্থদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেখানে আমি গেলে সবাই উৎসাহিত হবে। কাজটা ভালো মনে করেই আমি সেখানে যাই। সিদ্ধান্ত নিই আমি নিজেও সেখানে ভ্যাকসিন নেব। কিন্তু ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেই আমার খটকা নালে। মোবাইলে কোনও মেসেজ আসেনি আমার। সংস্থাটির তরফে বলা হয়, একটু বাদে আসবে। আমি সার্টিফিকেট চাই। তখন বলা হয়, আপনি বাড়ি পৌঁছতে পৌঁছতে সার্টিফিকেট চলে যাবে। কাছেই আমার বাড়ি। ফিরে এসেও সার্টিফিকেট পাইনি। আমার অফিস থেকে লোক সার্টিফিকেট চাইতে গেলে বলা হয় কয়েকদিন সময় লাগবে। কোউইন অ্যাপেও ভ্যাকসিনেসন রেজিস্টার্ড হয়নি।”

 

এই খবরটা তাঁর সঙ্গে শেয়ার করুন, যার এটা জানা দরকার