কাসগঞ্জ: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দফতরের তরফে আগেই টুইট করে জানানো হয়েছিল, কাসগঞ্জের ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। আর সেই কথা যে মোটেই ফাঁকা আওয়াজ ছিল না তা স্পষ্ট করে দিল উত্তর প্রদেশ পুলিশ।
পুলিশ দলের বিরুদ্ধে মারাত্মক হামলার পরে অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে খতম করল পুলিশ। এনকাউন্টারে এক অভিযুক্তকে মেরেছে পুলিশ। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ঘটনার মূল আসামি মতি ধীমরকে এখনও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

সূত্র বলছে পুলিশি এনকাউন্টারে মৃতের নাম আলকার। সে ধীমরের ভাই। গলা ধিমারের কাছে কালী নদীর তীরে এই এনকাউন্টার চলে।
আরও খবর- অনলাইন প্রতারনার ফাঁদে এবার কেজরিওয়াল কন্যা হর্ষিতা
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে উত্তরপ্রদেশে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে। সে রাজ্যের কাসগঞ্জ (kasganj) জেলায় গ্যাংস্টারদের (gangsters) হাতে খুন হন এক পুলিশ (police) কনস্টেবল। একই সঙ্গে মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন এক সাব ইন্সপেক্টরও।

রিপোর্ট বলছে, একটি ছোট টিম সহ সাব-ইন্সপেক্টর অশোক ও কনস্টেবল দেবেন্দ্র একটি বেআইনি মদের কারখানায় তল্লাশি চালাচ্ছিল, এসময়ই তাঁদের ওপর হামলা হয়। তাঁদের দুজনকে ধরে, পাকড়াও করে ছিনতাই করা হয় ও লাঠিপেটাও করা হয়। পুলিশ টিমের বাকি যে সদস্যরা পালিয়ে যেতে পেরেছিল তাঁরা আরও পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে ফিরে আসে।
পুলিশ টিমের প্রায় ১২ জন সদস্য লাঠি ও বন্দুক হাতে মধ্যরাতে মাঠের মধ্যে চিরুনি তল্লাশি চালায়। আলো হাতে করে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের আগের দুই সদস্যর খোঁজ শুরু করে।
অবশেষে গ্রামবাসীদের সহায়তায় পুলিশ টিম নাগলা ধিমার গ্রামের কাছে সাব-ইন্সপেক্টর অশোক ও কনস্টেবল দেবেন্দ্রকে দেখতে পায়। তাঁরা মারাত্মক ভাবে জখম ছিল।
কোনও রকমে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মারাত্মক আঘাতের জেরে মৃত্যু হয় ওই পুলিশ কনস্টেবলের। অন্য সাব ইন্সপেক্টর এখনও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।

মাত্র ১২ হাজারে ৮ জিবি RAM এর মোবাইল- এখনই কিনুন