শরীরের প্রতিটি উপাদানের পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো উপাদানের পরিমাণ কম বা বেশি হলে তার প্রভাব শরীরে দেখা দিতে শুরু করে। কখনও কখনও এটি মারাত্মক রোগের কারণও হয়। শরীরে সোডিয়াম কম থাকায় নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে।
কম সোডিয়ামের লক্ষণ: শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রতিটি উপাদানের সুষম পরিমাণ থাকা খুবই জরুরি। শরীরে কোনো উপাদান কম-বেশি হয়ে গেলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে শুরু করে। সোডিয়ামও শরীরের জন্য এমন একটি অপরিহার্য উপাদান, যার ভারসাম্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি হলে নানা উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। আসলে, সোডিয়াম হল একটি ইলেক্ট্রোলাইট যা আমাদের রক্তে থাকে। এটি আমাদের শরীরের কোষে পানির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কম হলে হাইপোনাট্রেমিয়াও হতে পারে।হাইপোনাট্রেমিয়া তৈরি হওয়ার এক বা একাধিক কারণ থাকতে পারে। মায়ো ক্লিনিকএ সংক্রান্ত খবরে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পরিমাণে পানি পান করলে তার শরীরের সোডিয়াম মিশ্রিত হয়ে যায়। এমনটা হলে শরীরে পানির পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং শরীরের কোষগুলো ফুলে যেতে থাকে। এর ফলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে থাকে। কখনও কখনও এটি মারাত্মকও হতে পারে।
শরীরে কম সোডিয়ামের লক্ষণ– বমি বমি ভাব এবং বমি – মাথাব্যথা – হ্যালুসিনেশন – ক্লান্তি, শুকনো গলা, শরীরের শক্তি কমে যাওয়া – বিরক্তি – পেশী দুর্বলতা, ক্র্যাম্পস – কোমা
এই কারণে সোডিয়াম কম হতে পারে
– সোডিয়াম আমাদের শরীরে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু ওষুধের কারণেও শরীরে সোডিয়ামের অভাব হতে পারে।অ্যান্টি-ডিউরেটিক হরমোন তৈরির কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।–ডায়রিয়া, ঘন ঘন বমি হওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন হয়। এ কারণেও শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।–অতিরিক্ত পানি পান করলেও শরীরে সোডিয়াম কম হতে পারে।–শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় সোডিয়াম কম হয়ে যায়।

মাত্র ১২ হাজারে ৮ জিবি RAM এর মোবাইল- এখনই কিনুন