আপনি কি আয় বৃদ্ধির কোনো উপায় খুঁজচ্ছেন? আসুন দেখে নেওয়া যাক এই সমস্ত উপায়গুলি :

0
102

অনেকেরই স্বপ্ন থাকে নিজের ব্যবসা হবে। ব্যবসা থেকে অর্জিত টাকা দিয়েই স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করবেন। বর্তমানে এমন কিছু ব্যবসা রয়েছে যেগুলি শুরু করতে খুব বেশি মূলধন বা পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না। অথচ ব্যবসা শুরু করে ভালো টাকা লাভ করা যেতে পারে । এই সমস্ত ব্যবসাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন :
১.গুঁড়ো মশলার ব্যবসাঃ-
আজকাল সকলেই নামি দামি ব্রান্ডের থেকে শুরু করে বেনামি কোনো না কোনো মশলা ব্যবহার করেন রান্নার জন্। আপনি যদি মশলার কাঁচামাল কিনে তা গুঁড়ো করে গুঁড়ো মশলার ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে তা কিন্তু বেশ লাভজনক হতে পারে । যেমন- হলুদ গুঁড়ো , লঙ্কা গুঁড়ো , জিরা গুঁড়ো ইত্যাদি । প্রথমে বিভিন্ন মুদিখানা দোকানে গিয়ে নিজের মশলা বিক্রি করতে হবে । এরপর বিক্রি বাড়লে আপনি নিজের নামেই ব্র্যান্ড তৈরী করে নিতে পারবেন । এতে আপনার ব্যবসার পাশাপাশি পরিচিতিও গড়ে উঠবে ।
২. কাগজের খাম তৈরিঃ-
অফিস – আদালত , ব্যবসা – বাণিজ্য , স্কুল – কলেজ সব জায়গায় জরুরি কাগজ ও চিঠি পাঠানো হয়। আর এই চিঠি পাঠানোর জন্য দরকার পরে খামের। এই সমস্ত কাগজের নানান রঙের খাম তৈরির ব্যবসা করেও ভালো টাকা আয় করা সম্ভব। তাছাড়া সারা বছরই প্রায় খামের চাহিদা থাকে।
৩. ব্যানার ও সাইনবোর্ডের দোকানঃ-
আজকাল অনেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটারের বিভিন্ন কোর্স করেছেন। যারা ডিটিপি কোর্স করেছেন তারা সাইনবোর্ড, ব্যানার ইত্যাদি বানাতে পারবেন। তাহলে চাইলে আপনিও ব্যানার ও সাইনবোর্ডের ওদের নিয়ে সেটিকে প্রেস থেকে প্রিন্ট করিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এতে প্রিন্টিং খরচ বাদে বাকি টাকা পুরোটাই আপনার লাভ হিসাবে থাকবে।
৪. . স্টেশনারি দ্রব্যের দোকানঃ-
স্টেশনারি বলতে মূলত বই , খাতা , পেন , পেন্সিল ইত্যাদি পড়াশোনার সামগ্রীকে বোঝায়। এছাড়াও যেকোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বা স্কুল কলেজে রেজিস্টার , হিসাবের খাতা ইত্যাদি লেগেই থাকে । আপনিও চাইলে অফিস , স্কুল কলেজ থেকে অর্ডার হোলসেল মার্কেট থেকে এই সমস্ত জিনিসপত্র এনে সাপ্লাই দিয়ে কিছু টাকা উপার্জন করতে পারেন।
৫. মোমবাতি তৈরীঃ-
এখনও এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে রাত হলেই অন্ধকার নেমে আসে । এই সমস্ত এলাকায় মোমবাতির চাহিদা বেশ ভালো। তাছাড়া মন্দির মসজিদ থেকে শুরু করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সারাবছর মোমবাতির চাহিদা থাকেই । চাইলেমোমবাতি তৈরির ব্যবসাও শুরু করতে পারেন । মােমবাতি তৈরিতে প্যারাফিন ,মোম ও ছাঁচের প্রয়োজন হবে। এগুলি জোগাড় করে নিতে পারলেই আপনি মোমবাতির ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
৬. কাগজের ব্যাগের ব্যবসাঃ-
বাজারের যে কোনো জিনিস কিনতে গেলেই তা নিয়ে যাওয়ার জন্য প্যাকেজিং এর দরকার। আর এই প্যাকেজিংএ মূলত প্লাস্টিকের ব্যবহার হয়। বর্তমানে মানুষ দূষণের সম্পর্কে সচেতন হচ্ছে । তাই পরিবেশ বান্ধব কাপড়ের ও কাগজের ব্যবহার বাড়ছে ব্যাপকভাবে। এই সময় কাগজের ব্যাগের ব্যবসা শুরু করে তা দোকানদারদের বিক্রি করে ভালো টাকা উপার্জন করা যেতে পারে।
৭ মুদি খানা দোকানঃ-
প্রতিদিনের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন চা , দুধ , কফি , বিস্কুট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস মুদি দোকানে পাওয়া যায়। তাছাড়া মুদির দোকানে আনুমানিক ১০-১৫ শতাংশ লাভ থাকেই। প্রথমে অল্প কিছু দিয়ে শুরু করলেও ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় করে তুলতে পারেন।
৮. . বই বাঁধানোঃ-
বই যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেই কারণে অনেকেই বই বাঁধাই করে নেন। আবার অফিস , স্কুল কলেজের দরকারি খাতাপত্রও বাঁধাই করার হামেশাই প্রয়োজন পড়ে। তাই আপনি যদি কম পুঁজিতে ব্যবসার খোঁজ করেন তাহলে বই বাঁধাইয়ের ব্যবসা একটি ভালাে উপায় হতে পারে । আপনি চাইলেই যে কোনো বই বাঁধানোর দোকানে স্বল্প খরচে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।

শেয়ার করে ভারতীয় হওয়ার গর্ব করুন

আপনার মতামত জানান